Time
Bangladesh Dhaka

12:21:16 PM

Australia Sydney

5:21:16 PM

Weather
Yahoo! Weather - Sydney Regional Office, AS


Current Conditions:
Find more about Weather in Sydney Regional Office, AU
Click for weather forecast
Currency Rate

Prayer Time
  • Fajr 4:41
  • Sunrise 6:14
  • Zuhr 1:09
  • Asr 4:53
  • Maghrib 8:02
  • Ishaa 9:31
Reader Number
           
 

স্থানীয় সংবাদ

জামায়াত বাদে সর্বদলীয় সরকার প্রস্তাব দেবেন খালেদা জিয়া
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়ে ১৩ দফা প্রস্তাবের পর এবার নির্বাচনকালীন 'সহায়ক' সরকারের রূপরেখা দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। রূপরেখায় বেশ কিছু বিকল্প প্রস্তাব থাকছে। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন সময়ে সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাবনা গুরুত্ব পাবে। নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন থাকা সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে সর্বদলীয় সরকার গঠনের ডাক দেবেন বেগম জিয়া। সেক্ষেত্রে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতকে বাইরে রেখেই ওই প্রস্তাব দিতে পারেন ২০-দলীয় জোট প্রধান। জোটবদ্ধ এ শরিক দলটি নিয়ে নানামুখী সমালোচনার কারণে দলটি নীতিগত এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্ষমতা হ্রাস করলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনেও নির্বাচনে যাওয়ার ইঙ্গিত আসতে পারে প্রস্তাবে। দলীয় সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের পর পরই অনুকূল পরিস্থিতিতে এ নিয়ে প্রস্তাব তুলে ধরবেন বেগম জিয়া। এ নিয়ে প্রস্তাব তৈরির কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। দলের গুটিকয়েক সিনিয়র নেতা, সাবেক আমলা ও বিএনপি সমর্থিত কয়েকজন বুদ্ধিজীবী এ নিয়ে কাজ করছেন। এর আগে তারা নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়েও খালেদা জিয়ার ১৩ দফা নিয়ে কাজ করেছেন। পরে তা দলের স্থায়ী কমিটিতে অনুমোদন করা হয়। এরপর গণমাধ্যমে প্রস্তাব তুলে ধরেন বেগম খালেদা জিয়া। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটের দাবিতে নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া সম্প্রতি নতুন ইসি গঠন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে 'তত্ত্বাবধায়ক' শব্দটি এড়িয়ে গিয়ে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আবার সাংবাদিকদের সামনে আসার আভাস দেন। এ সময় খালেদা জিয়া বলেন, 'নির্বাচন কমিশন জাতিকে যাতে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ?্য নির্বাচন উপহার দিতে পারে, সেই উদ্দেশেই একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রয়োজন। আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখা ভবিষ্যতে যথাসময়ে জাতির সমীপে উপস্থাপন করব।' এ প্রসঙ্গে গতকাল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, 'নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার নিয়ে কাজ চলছে। তবে এটা কবে দেওয়া হবে তা নির্ভর করছে আমাদের নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নিয়ে সরকারের চিন্তাভাবনার ওপর। চেয়ারপারসনের মামলা ও সিটি নির্বাচন নিয়ে আমরা ব্যস্ত। দলের নেতাদের ছাড়াও সিভিল সোসাইটিসহ বিভিন্নজনের মতামত নিয়েই একটি প্রাথমিক ধারণা নিয়ে নিয়ে আসব। জানুয়ারির মধ্যেই এ প্রস্তাব আশা করা যায়। এ বিষয়ে এখনই বলার সময় আসেনি।' দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে সংবিধান সংশোধন করে নতুন কাঠামোয় নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাবও থাকছে। আবার যে মন্ত্রিসভা আছে, তার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় তিনজন টেকনোক্রেট মন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি থাকতে পরে। স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপনসহ তিন-চারটি মন্ত্রণালয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিরা ওই দায়িত্বে থাকতে পারেন যারা প্রশাসনিক বিষয়টি সুপারভাইজ করবেন। বিএনপির সংশ্লিষ্ট একাধিক নেতা ও বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি এখন দুটি জিনিস গুরুত্ব দিচ্ছে। একটি হলো নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। আরেকটি হলো নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা কী। তা দেখার পরই বিএনপি সহায়ক সরকারের প্রস্তাবনা দেবে। ওই প্রস্তাবনায় থাকতে পারে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ না করার শর্তে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও ওই সরকারে থাকতে পারবেন। বিএনপি সমর্থিত একজন বুদ্ধিজীবী জানান, 'সর্বদলীয় সরকারে জামায়াতকে বাইরে রেখেই প্রস্তাব আসবে। এটা নির্বাচন কমিশন গঠনের রূপরেখায়ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, নিবন্ধিত অথবা বলে বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন। নির্বাচনকালীন 'সহায়ক' সরকারের ক্ষেত্রেও তাই হবে। বিএনপি অনেক কিছু ছাড় দিয়ে একটি কার্যকর সরকার গঠনের প্রস্তাব দেবে।' নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখায় কী থাকছে, এমন প্রশ্নে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যখন নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয় উঠে আসবে, তখন আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব। তবে এ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একটি প্রস্তাব দেবেন। তার কাজ চলছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তখনকার মহাজোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখ্যান করে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনে থাকা বিএনপি। এর বদলে ২০১৩ সালের ২০ অক্টোবর একজন 'সম্মানিত নাগরিকের' নেতৃত্বে সাবেক ১০ উপদেষ্টাকে নিয়ে নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের পাল্টা প্রস্তাব দেন তখনকার বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিনিধির দূতিয়ালিতেও সে সময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমঝোতা হয়নি। জাতীয় পার্টি ও পুরনো শরিকদের কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় এনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করেন। সেই সরকারের অধীনেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোট হয়। বিএনপি ও শরিকদের বর্জনের মধ্যে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।
--------
আলাদা বিমান কেনার মতো বিলাসিতা করার সময় আসেনি
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য আলাদা এয়ারক্রাফট কেনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুন এয়ারক্রাফটের কোনো প্রয়োজন নাই। রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর আলাদা এয়ারক্রাফট কেনার বিলাসিতা করার মতো সময় আমাদের আসেনি। ওয়াটার সামিট ২০১৬ উপলক্ষে চার দিনের হাঙ্গেরি সফরের ওপর গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ শনিবার তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির জন্য নতুন এয়ারক্রাফট কেনার মতো বিলাসিতা করার সময় আসেনি। গরিবের ঘোড়া রোগ বলা হয় না- ঘোড়া পালতেও অনেক খরচ, সেটা আমরা চাই না। সাধারণ মানুষ যেটাতে চড়ে, আমরাও সেটাতেই চড়ব। নির্দিষ্ট কারও জন‌্য নয়, যাত্রীদের জন‌্য বিমানকে আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমানের উন্নয়নে তার সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপও তুলে ধরেন। সম্প্রতি হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে তুর্কেমেনিস্থানে বিমানের জরুরি অবতরণের বিষয়টিকে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি নিছক দুর্ঘটনা।
--------
সাহস থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন : ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের প্রতি আস্থা এবং সাহস থাকলে নিরপেক্ষ সরকার ও সব দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন দিন। এত ভীত হবেন না সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ফলাফল যাই হয় তা মেনে নেব। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। ব্যারিস্টার ফর চেইঞ্জ নামক একটি সংগঠন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ বের করতে সংলাপের উদ্যোগ নিন। দাম্ভিকতা পরিহার করুন। দেশ বিভক্ত করার চক্রান্ত থেকে বের হয়ে এসে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। ফখরুল বলেন, বীর উত্তম জিয়াউর রহমানের সমাধি সরানোর ষড়যন্ত্র করছেন। করতেই পারেন। আপনাদের হাতে বন্দুক, অস্ত্র আছে, কিন্তু এসব দিয়ে কিছু টিকিয়ে রাখা যাবে না। জিয়াউর রহমানের পদক কেড়ে নিয়ে তার বিরুদ্ধে অশ্লীল, অশ্রাব্য কথা বলে কোনো লাভ হবে না। দিজ ইজ জিয়াউর রহমান। জনগণ তাকে ধারণ করে। ফখরুল আরও বলেন, মাঝে মধ্যে মনে হয়, কে সরকার? কোথায় সরকার?
--------
হোম অনলাইনরাজনীতি শুধু তিস্তা নয়, ৫৪টি নদী নিয়েই আলোচনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী শুধু তিস্তা নয়, ৫৪টি নদী নিয়েই আলোচনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী
তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা আলোচনা করছি, এটা এখন নির্ভর করছে তাদের ওপর তারা কীভাবে নেবে। আমরা আমাদের কাজ করে যাচ্ছি। শুধু তিস্তা নয়, ৫৪টি নদী নিয়েই আলোচনা চলছে, এই আলোচনা চলবে। পানি সম্মেলন ২০১৬তে অংশগ্রহণ নিয়ে আজ শনিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গঙ্গার পানি বণ্টন। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি আমরা করেছি। অন্যগুলো নিয়েও আমরা আশাবাদী। আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনে যোগ দিতে হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের জরুরি অবতরণ নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এটা যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল আর কিছুই না। আল্লাহর রহমতে সহিসালামাতে ফিরে এসেছি। যান্ত্রিক ত্রুটি হতেই পারে। প্রসঙ্গত, হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট জানোস এডারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পানি সম্মেলন ২০১৬ এ অংশ নিতে চার দিনের সফরে গত ২৭ নভেম্বর বুদাপেস্ট যান। চার দিনের সফর গত বুধবার রাতে দেশে ফিরেন প্রধানমন্ত্রী।
--------
 
 

আন্তর্জাতিক সংবাদ

আর প্রেসিডেন্ট হতে চান না ওলাঁদ
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আর দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। গতকাল শুক্রবার তিনি বলেছেন, এখন তাঁর একমাত্র কাজ হচ্ছে আগামী দিনগুলোতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। দেশটিতে আগামী বছরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনকে সামনে রেখে ওলাঁদের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনার ব্যাপারে চালানো জরিপের ফলাফলে তাঁর পক্ষে জনসমর্থনে ব্যাপক ভাটা দেখা যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এমন ঘোষণা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তোড়জোড় অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছিল যে ৬২ বছর বয়সী সমাজতান্ত্রিক নেতা ওলাঁদ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কিন্তু গতকাল তিনি সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্যারিসের এলিসি প্রাসাদ থেকে এক বিবৃতিতে তাঁর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান। বিবৃতিটি টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়। ওলাঁদ বলেন, 'আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আর প্রার্থী হব না। সামনের দিনগুলোতে আমার একমাত্র কাজ হবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া অব্যাহত রাখা।' তিনি আরো বলেন, 'আমার শাসনামলে বিশ্ব, ইউরোপ, ফ্রান্স গুরুতর বিশেষ কিছু প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছে। এই বিশেষ পরিস্থিতিতে আমি জাতীয় একতা বজায় রাখতে চেয়েছি।' ওলাঁদ দেশে সন্ত্রাসী হামলার কথা উল্লেখ করেন জানান, তিনি চলমান ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন আছেন। সূত্র : এএফপি, বিবিসি।
--------
মিয়ানমারকে কড়া জবাব মালয়েশিয়ার
মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের নৃতাত্ত্বিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছে মালয়েশিয়া। কুয়ালালামপুরে সংহতি মিছিলকে সামনে রেখে আজ শনিবার এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করল দেশটি। ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। রয়টার্সের খবরে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বলা হয়, মালয়েশিয়ার সার্বভৌম বিষয়গুলোর প্রতি শ্রদ্ধা রাখা উচিত। মালয়েশিয়াকে আসিয়ান নীতি মেনে চলতে হবে এবং সদস্য দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানো থেকে দূরে থাকতে হবে। মিয়ানমারের এই বার্তার পরেই মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, মিয়ানমারে কেবল একটি নৃগোষ্ঠীকেই তাড়ানো হচ্ছে। আর এটি নৃতাত্ত্বিক নিশ্চিহ্নকরণের শামিল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য মিয়ানমারের এই আচরণ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। এরই কড়া সমালোচনা করেছে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়া। ২০১২ সালে রাখাইনে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় শতাধিক নিহতের পর এটি বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা।
--------
ট্রাম্পের ঐতিহাসিক ফোনে ক্ষুব্ধ চীন
কয়েক দশকের শৈত্য গলিয়ে সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টেলিফোনে সরাসরি কথা বললেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে৷ ১৯৭৯-এ দুই দেশের মধ্যে সমস্ত কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর সম্ভবত এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওই স্বশাসিত দ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বললেন৷ অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপে বেজায় চটেছে চীন৷চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ি শনিবার এই ঘটনাকে 'তাইওয়ানের চালাকি' বলে উল্লেখ করেছেন৷ তিনি জানিয়েছেন, এর ফলে মার্কিন-চীন সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছে বেইজিং৷ চীন মনে করে, তাইওয়ান স্রেফ চীন থেকে বেরিয়ে যাওয়া একটি প্রদেশ মাত্র। যেটি ভবিষ্যতে কোনো একদিন ফের চীনের সঙ্গেই যুক্ত হবে। তাইওয়ান নিজেকে কীভাবে দেখে সেটার উত্তর অবশ্য এতটা সরল নয়। প্রায় ২৩ মিলিয়ন জনসংখ্যা বিশিষ্ট দ্বীপটির কোনো কোনো দল এবং জনগণের একটি অংশ তাইওয়ানকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে দেখতে চান। বর্তমানে তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসাবে উল্লেখ করে চীন৷ তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের শত্রুতা সুবিদিত৷ এমনকি, তাইওয়ানের দিকে চীন কয়েক শ' মিসাইল তৈরি রেখেছে বলেও বারবার দাবি করা হয়েছে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে৷ সেই দ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলায় তাই বেজায় চটেছে চীনা শীর্ষ নেতৃত্ব৷ আমেরিকার প্রতি চীন কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, 'চীনের এক রাষ্ট্র নীতির প্রতি অবিচল থাকলে তবেই চীন-মার্কিন সম্পর্ক ভবিষ্যতে মজবুত থাকবে৷ আশা করা হচ্ছে, সেই সম্পর্ক কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সেই সম্পর্কের উপর আঘাত হানবে না৷'
--------
 
";