Time
Bangladesh Dhaka

12:21:16 PM

Australia Sydney

5:21:16 PM

Weather
Yahoo! Weather - Sydney Regional Office, AS


Current Conditions:
Find more about Weather in Sydney Regional Office, AU
Click for weather forecast
Currency Rate

Prayer Time
  • Fajr 4:41
  • Sunrise 6:14
  • Zuhr 1:09
  • Asr 4:53
  • Maghrib 8:02
  • Ishaa 9:31
Reader Number
           
 

স্থানীয় সংবাদ

শরণার্থী সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করব
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমারের শরণার্থী সমস্যা সমাধানের উপায় বের করতে দেশটির নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি ইতিমধ্যে এ বিষয়ে অং সান সু চিকে কিছু আভাসও দিয়েছি।' গত মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অছি পরিষদে 'লিডারশিপ সামিট অন রিফিউজিস'-এ দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এর আয়োজন করেন। শেখ হাসিনা অন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের শরণার্থী বিষয়ে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'গত তিন দশকে মিয়ানমার থেকে আসা বিপুলসংখ্যক শরণার্থী ও উদ্বাস্তুকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমরা ওই মানুষদের দায়িত্ব বহন করে চলেছি।' তিনি আরও বলেন, 'আমাদের স্থানীয় জনগণ তাদের আশ্রয় প্রদান ও সহযোগিতার জন্য জায়গার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। যদিও এতে বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে।' পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ও পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন। নারীর কর্মক্ষেত্র প্রসারিত করার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীদের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণের লক্ষ্যে সুযোগ সম্প্রসারণ এবং কর্মক্ষেত্রকে প্রসারিত রাখতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে ওমেনস লিডারশিপ অ্যান্ড জেন্ডার পার্সপেক্টিভ অন প্রিভেন্টিং অ্যান্ড কাউন্টারিং ভায়োলেন্স এক্সট্রিমিজম শীর্ষক এক পার্শ্ব বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গের আমন্ত্রণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা সভ্য সমাজকে লাঞ্ছিত করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতি মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'আমি আমাদের মায়েদের এক একজনকে তাঁদের সন্তানদের জন্য রোল মডেল হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনের জন্য উৎসাহিত করে থাকি। দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের ৬০ শতাংশ নারী শিক্ষক। তাঁরা এই সমাজে বিশেষ করে শিশুতোষ সমাজে মূল্যবোধ এবং সংযমের আলো ছড়াচ্ছেন।' বাংলাদেশের প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট: বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম আর্থসামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নের প্রশংসা করে বলেছেন, দেশটির দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়ন তাঁকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, 'আমি সব সময় প্রতিটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাফল্যগাথা তুলে ধরে থাকি।' প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার: নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বুধবার 'প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন' এবং 'এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড' গ্রহণ করার কথা ছিল। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ইউএন প্লাজায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জাতিসংঘ উইমেন 'প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন' এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম 'এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড' গ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
--------
সন্ত্রাসীদের অর্থ, অস্ত্র ও নৈতিক সমর্থন দেবেন না: প্রধানমন্ত্রী
সন্ত্রাসীদের অর্থ, অস্ত্রশস্ত্র ও নৈতিক সমর্থন না দেওয়ার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সন্ত্রাসীদের সমূলে উৎপাটন করার সংকল্পে বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে বাংলায় দেওয়া ভাষণে এই আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ের দুটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জজঙ্গিবাদ ও সহিংস চরমপন্থা। এই চ্যালেঞ্জগুলো কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যে আবদ্ধ না থেকে বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। কোনো দেশই আপাতদৃষ্টিতে নিরাপদ নয়। কোনো ব্যক্তি এদের লক্ষ্যের বাইরে নয়। আমেরিকা থেকে ইউরোপ, আফ্রিকা থেকে এশিয়ায়, অগণিত মানুষ সন্ত্রাসবাদের শিকার হচ্ছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা মনে করি, সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নেই। এদের সর্বতোভাবে সমূলে উৎপাটন করার সংকল্পে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।' বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও সহিংস জঙ্গিবাদের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে এদের পরামর্শদাতা, মূল পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী এবং প্রশিক্ষকদের খুঁজে বের করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নিজে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে আছেন। গত ১ জুলাই ঢাকার গুলশানে ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলা বাংলাদেশের জনগণের মনে এক গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বর্তমানে আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি।' শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে দেশের জনগণকে সচেতন করতে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এতে সাড়া দেওয়ার জন্য পুরো জাতির প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সমাজের প্রত্যেক স্তর থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি আত্মবিশ্বাসী যে জনগণের দৃঢ়তা ও সহযোগিতায় বাংলাদেশের মাটি থেকে সন্ত্রাসীদের সমূলে উচ্ছেদ করতে সক্ষম হবেন। একই সঙ্গে সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদীদের অর্থ, অস্ত্রশস্ত্রের জোগান বন্ধ করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। সন্ত্রাসীদের প্রতি নৈতিক ও বৈশ্বিক সমর্থন না দেওয়ারও ডাক দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে শরণার্থী সংকটসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ আসে। জাতিসংঘের অভিবাসী ও শরণার্থী-বিষয়ক সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর আশা, এই সম্মেলন বর্তমান সময়ে অভিবাসনের ধারণা ও বাস্তবতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে সাহায্য করবে। অভিবাসী ও শরণার্থীদের স্বদেশ ও গন্তব্য উভয় স্থানের জন্যই সম্ভাবনাময় পরিবর্তনের নিয়ামক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনসংক্রান্ত গ্লোবাল কমপ্যাক্ট রূপরেখা প্রণয়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বরে গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (জিএফএমডি) আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে অভিবাসন-বিষয়ক গঠনমূলক সংলাপের প্রত্যাশা করছেন তিনি। জাতিসংঘের বিদায়ী মহাসচিব বান কি মুনের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি (মুন) সব সময়ই একজন বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নের অর্জনগুলোকে বাকি বিশ্বের জন্য 'রোল মডেল' হিসেবে তুলে ধরেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারীশিক্ষা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপের ফল পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের নারীরা এখন উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশীদার। সব পেশায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, সম্ভবত বাংলাদেশ পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা, বিরোধদলীয় নেতা, স্পিকার, সংসদ উপনেতা সবাই নারী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যদি সঠিক পন্থা অবলম্বন করা হয়, তাহলে সম্ভাবনা ও সুযোগও রয়েছে অনেক। বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, 'এক মানবতার জন্য কাজ করার উদ্দেশ্যে আমরা সকলে এখানে সমবেত হয়েছি। মতের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও আসুন আমরা মানবতার স্বার্থে অভিন্ন অবস্থানে উপনীত হই। বিশ্ব থেকে সংঘাত দূর করে শান্তির পথে এগিয়ে যাই। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘই হতে পারে আমাদের জন্য একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম। আসুন, আমরা এই সংস্থাকে আরও টেকসই ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে নতুন করে শপথ গ্রহণ করি।'
--------
জাতিসংঘের ১৭ তরুণ নেতার তালিকায় বাংলাদেশি নাজবিন
জাতিসংঘ ঘোষিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি)-এর সমর্থনে কাজ করছেন এমন ১৭ তরুণ নেতার তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশের ময়মনসিংহের মেয়ে সওগাত নাজবিন খান। জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে বলা হয়, ওই তরুণ নেতারা ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে বেশ কয়েকটি হাই-লেভেল বৈঠক এবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। তারা জাতিসংঘ এবং তার মিত্রদের বিভিন্ন প্রকল্পেও অংশগ্রহণ করবেন। প্রাথমিকভাবে ১৮৬ দেশ থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৮ হাজারেরও বেশি আবেদন আসে, যাদের বয়স ১৯ থেকে ৩০ বছর। এদের মধ্য থেকে এসডিজি-র ১৭টি মৌলিক লক্ষ্যে অবদান রাখার জন্য ১৭ জন তরুণকে বাছাই করা হয়। জাতিসংঘ মহাসচিবের যুব বিষয়ক প্রতিনিধি আহমদ আলহেনদাওই বলেন, 'আমরা গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, এই তরুণ বিশ্ব নাগরিক দলটি তাদের সম্প্রদায়ের অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রেখেছে।' তিনি আরও বলেন, 'এই তরুণরাই এসডিজি-র লক্ষ্য অর্জনের মধ্যদিয়ে বিশ্বকে বদলে দিতে পারে।' এর আগে কমনওয়েলথ যুব পুরস্কারও জিতেছিলেন ময়মনসিংহের মেয়ে সওগাত নাজবিন খান। কমনওয়েলথভুক্ত ৫৩টি দেশের মধ্য থেকে মাত্র চারজন জিতেছেন 'কমনওয়েলথ ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডস ২০১৬'। নাজবিন 'কমনওয়েলথ এশিয়া ইয়াং পারসন অব দ্য ইয়ার ২০১৬' নির্বাচিত হন। নাজবিন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি শেষ করে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অনার্স সম্পন্ন করেন। এরপর ভারতের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি দূষণমুক্ত জ্বালানি (গ্রিন এনার্জি) বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ময়মনসিংহে এইচ এ ডিজিটাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন, যেখানে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছেলে-মেয়েদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পড়ানো হয়। জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭ তরুণ নেতাদের মধ্যে অন্যরা হলেন তৃষা শেট্টি (ভারত), অঙ্কিত কাওয়াত্রা (ভারত), অ্যান্থনি ফোর্ড-শুব্রুক (ব্রিটেন), রিটা কিমানি (কেনিয়া), রেইনিয়ার ম্যালোল (ডমিনিকান রিপাবলিক), ইদ্দা হামার (আইসল্যান্ড/অস্ট্রেলিয়া), ভিনসেন্ট লোকা (ইন্দোনেশিয়া), সামার সামির মেজঘান্নি (তিউনিশিয়া/ইরাক), লুতফি ফাদিল লোকমান (মালয়েশিয়া), ক্যারোলিনা মেদিনা (কলম্বিয়া), জ্যাক হরোইটজ (যুক্তরাষ্ট্র), করণ জেরাথ (যুক্তরাষ্ট্র), স্যামুয়েল মালিঙ্গা (উগান্ডা), সাফাথ আহমেদ জহীর (মালদ্বীপ), নিক্কি ফ্রেজার (কানাডা),টেরে গনজালেজ গার্সিয়া (মেক্সিকো)। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
--------
নবম দক্ষিণ এশীয় অর্থনৈতিক সম্মেলন অক্টোবরে ঢাকায়
নবম দক্ষিণ এশীয় অর্থনৈতিক সম্মেলন আগামী ১৫-১৬ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে '২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন ভাবমূর্তি গঠন।' স্থানীয় থিং ট্যাং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিগণ এবং উন্নয়ন অংশীদারগণ যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ বুধবার বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তাঁকে এ খবর জানান। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সেক্রেটারি জয়নাল আবেদিন জানান, প্রতিনিধি দল সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বৈঠকে তারা রাষ্ট্রপতিকে জানান, এ সম্মেলনের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিভিন্ন সুপারিশমালা প্রণয়ন করা। দু'দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বাংলাদেশের নীতি নির্ধারক, অর্থনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ যোগ দেবেন। এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের উন্নয়নে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজিএস) অর্জনে অংশ গ্রহণকারীদের চিন্তা চেতনা ও গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈঠকে সিপিডি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতিকে তাদের কর্মকাণ্ড অবহিত করেন। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
--------
 
 

আন্তর্জাতিক সংবাদ

পাল্টা হামলা আতঙ্কে পাকিস্তান
কিছুদিন ধরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যাচ্ছেতাই সম্পর্ক যাচ্ছে। এর মধ্যে গত রবিবার কাশ্মীরে জঙ্গিদের হামলায় ১৭ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক এখন ভেঙে যাওয়ার উপক্রম। এ অবস্থায় ভারত পাকিস্তানে হামলা চালাতে পারে সেখানে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করছে ভারতের সেনাবাহিনী পাকিস্তানের সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় ক্রমেই সরে আসছে। ভারত পাকিস্তানে যে কোনো মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে এমন একটি আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে সেখানে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল রাহিল শরিফের সঙ্গে দফায় দফায় আলাপ করেছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে এনিয়ে বেশ সতর্ক অবস্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা পিআইএর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, সকাল থেকে গিলগিট, স্কার্দু ও চিত্রাল এলাকায় বিমান পথ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বিবিসি জানায়, ভারত পাকিস্তানকে আক্রমণ করতে পারে এমন আশঙ্কায় এসব ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসলামাবাদ ও পেশোয়ারের মধ্যকার মূল মহাসড়কের কিছু অংশও বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারত শাসিত কাশ্মীরের উরিতে জঙ্গিদের হামলায় ১৭ জন সৈন্য নিহত হওয়ার পর ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং পাকিস্তানকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলে আখ্যায়িত করেছেন। রবিবারের এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন ভারতের অনেক সেনা কর্মকর্তা বা নিরাপত্তা বিশ্লেষক। ভারত কীভাবে এর জবাব দেবে তা ঠিক করার জন্য দিল্লিতে সিনিয়র মন্ত্রীদের সঙ্গে এক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত তার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, পাকিস্তান-ভিত্তিক জয়েশ-এ-মুহম্মদ নামের একটি জঙ্গি গোষ্ঠী এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। কিন্তু বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আবারও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি গতকাল সন্ধ্যায় মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে কাশ্মীর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সেখানে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কাশ্মীর উপত্যকা আজ ৭৪তম দিনের মতো গতকালও অচল ছিল। বিবিসি
--------
ভারতের অস্ত্র সমাবেশ অগ্রাহ্য করা হবে না
ভারতের 'নজিরবিহীন' অস্ত্র সমাবেশ পাকিস্তান অগ্রাহ্য করবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তিনি বলেছেন, ভারতের এই তৎপরতার গ্রহণযোগ্য প্রতিরোধ গড়তে যা দরকার, তা-ই করা হবে। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের উরির সেনাছাউনিতে সন্ত্রাসী হামলার পর নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে জোর উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘে এ কথা বললেন নওয়াজ। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গতকাল বুধবার দেওয়া ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় নয়াদিল্লি একটি বাধা। গত রোববার কাশ্মীরের উরিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ১৮ জন ভারতীয় সেনা নিহত হন। হামলার জন্য পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিদের দায়ী করে ভারত। এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের ওপর রোববারের এ হামলাই ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। এ হামলাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারের প্রতি ভেতর থেকে তাগিদ রয়েছে। জাতিসংঘে ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, 'দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার বিপদ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এড়িয়ে যাচ্ছে, এর পরিণাম তাদের ভোগ করতে হবে।' নওয়াজ বলেন, 'পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে শান্তি চায়। এই শান্তি অর্জনে আমি আশাতীত প্রচেষ্টা চালিয়েছি। কিন্তু ভারত সংলাপে বসার জন্য অগ্রহণযোগ্য শর্ত আরোপ করেছে।' নওয়াজ শরিফ বলেন, 'আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, কেবল পাকিস্তানের স্বার্থেই আলোচনার গুরুত্ব রয়েছে তা নয়; এটি দুই দেশের স্বার্থেই প্রয়োজন। আমাদের মতপার্থক্যসমূহ নিরসনে এটা অপরিহার্য।' পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ভারতের সঙ্গে সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শনের সব পন্থা নিয়ে আলোচনা করতে আমরা তৈরি আছি। এই আলোচনা যেকোনো ফোরামে কোনো রকম শর্ত ছাড়াই করতে প্রস্তুত আমরা।' নওয়াজের এই হুঁশিয়ারির আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, 'উরিতে হামলার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের সাজার মুখোমুখি করা হবে'
--------
জার্মানির বিশ লাখ শিশু দরিদ্রতার শিকার

--------
 
";