Time
Bangladesh Dhaka

12:21:16 PM

Australia Sydney

5:21:16 PM

Weather
Yahoo! Weather - Sydney Regional Office, AS


Current Conditions:
Find more about Weather in Sydney Regional Office, AU
Click for weather forecast
Currency Rate

Prayer Time
  • Fajr 4:41
  • Sunrise 6:14
  • Zuhr 1:09
  • Asr 4:53
  • Maghrib 8:02
  • Ishaa 9:31
Reader Number
           
 

স্থানীয় সংবাদ

খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড, যা বলেছে জাতিসংঘ
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের দিকে গভীর নজর রাখছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফান ডোজারিক বলেছেন, বিএনপি প্রধানের কারাবন্দির ঘটনায় জাতিসংঘ উদ্বিগ্ন এবং আমাদের উদ্বেগ অব্যাহত আছে। আমরা আশা করি বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি হবে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডোজারিক। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনবিষয়ক অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের এই মুখপাত্র বলেন, প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ। জোরপূর্বক নয়। সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারান্তরীণ আছেন। বাংলাদেশের লাখ লাখ জনতা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে তার মুক্তি দাবি করছে। যা এএফপিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে। খালেদা জিয়াকে আগামী নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে বাংলাদেশের শাসকদল তার বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে মর্মেও রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। ইইউ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার অনেক দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করে খালেদা জিয়ার খোঁজখবর নিচ্ছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের তরফে কি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? কেননা খালেদা জিয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার মুখোমুখি। জবাবে মুখপাত্র ডোজারিক বলেন, আপনারা জানেন, আমরা এর আগেও বলেছি পুরো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। ইতোমধ্যে খালেদা জিয়ার বিষয়ে আমরা আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। আমরা আশা করছি বাংলাদেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টি হবে। এসব ক্ষেত্রে সব দেশের জন্য আমাদের অবস্থান শক্ত ও অভিন্ন। সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে ঢাকা সফর করছেন। বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ৮ হাজার ৩২ রোহিঙ্গা শরণার্থীর একটি তালিকা প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। আপনি কি মনে করেন রোহিঙ্গাদের এই ফিরে যাওয়া নিরাপদ হবে? জবাবে মুখপাত্র বলেন, প্রত্যাবাসন বিষয়ে জাতিসংঘের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছায়।
--------
গৃহকর্মী থেকে মাইক্রোসফটের অ্যাম্বাসেডর কুড়িগ্রামের ফাতেমা
অভাব অনটনের সংসার ছিল ফাতেমার। মাত্র ৯ বছর বয়সে তাই তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয় মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে। সেখানে সামান্য বেতনে কাজ করতে হতো তাকে। প্রায় দুবছর পর কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার এই কিশোরীর বয়স যখন ১১ বছর হলো তখন হঠাৎ একদিন তারা বাবা-মা তাকে বাড়িতে ডেকে পাঠাল। আর তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল অন্য কারণে নয়, আসলে তার বিয়ে দেয়ার জন্য। ১১ বছর বয়সী ফাতেমার বিয়ে ঠিক হয়েছিল ২৫বছর বসয়ী এক যুবকের সঙ্গে। সম্প্রতি মাইক্রোসফট তাদের ওয়েবসাইটে ফাতেমাকে নিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করেছে। ফাতেমা মাইক্রোসফটকে বলেছে, আমার সব আনন্দ মাটি হয়ে গেল যখন আমি বুঝলাম আমাকে আসলে বিয়ের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। বিয়ের সব আয়োজন চূড়ান্ত। তবে ঠিক আগ মুহূর্তে সেখানে গিয়ে হাজির হয় স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। বাল্য বিয়ের ছোবল থেকে তারা ফাতেমাকে রক্ষা করে। বাল্য বিয়ের হাত থেকে যে সংস্থাটি ফাতেমাকে বাঁচিয়েছিল সেটির নাম হলো- আশার আলো পাঠশালা। বিয়ে বন্ধ হওয়ার পর ফাতেমার শিক্ষার দায়িত্বও নেয় তারা। তবে তারপরও ফাতেমার বাড়ি থেকে বিয়ের জন্য চাপ ছিল। ফাতেমাও ছিল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ- বিয়ে সে করবে না। এরপর ফাতেমা চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। পিএসসি ও জেএসসিতে জিপিএ-৫ পায় সে। এখনও সে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দারিদ্র্য ও বাল্য বিয়ের কবল থেকে তার মতো অন্য মেয়েদের বাঁচাতে কাজ করছে সে। ফাতেমার এই পথে তার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী অস্ত্র ছিল তার কম্পিটার শিক্ষা। যার শুরুতে ছিল ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট। এখন অন্য যেসব কিশোরী বাল্যবিয়ের ঝুঁকিতে আছে ফাতেমা তাদের ডিজিটাল দক্ষতার উপর প্রশিক্ষণ দেয়। মাইক্রোসফট তাকে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও বানিয়েছে।
--------
সবচেয়ে দূষিত বায়ুতে বাংলাদেশ দ্বিতীয়
বিশ্বের কোনো শহর স্থাপনার জন্য, কোনোটা আবার বৃক্ষ বা জলাভূমির জন্য বিখ্যাত হয়। রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণের জন্য এখন আলোচিত। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থা ইপিএর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বিশ্বে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান-বিষয়ক প্রতিবেদনটি গত ২৩ জানুয়ারি ইপিএ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বিশ্বের ১৮০টি দেশ সামগ্রিকভাবে পরিবেশ সুরক্ষায় কী ধরনের ভূমিকা রাখছে, তা নিয়ে একটি সূচক তৈরি করেছে। তাতে বাংলাদেশ ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৭৯তম স্থানে নেমে এসেছে। ২০০৬ সালে সর্বপ্রথম ওই সূচকটি তৈরি করা হয়েছিল, সে বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৫তম। অর্থাৎ গত এক যুগে দূষণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ৫৪ ধাপ নিচে নেমেছে। বিশ্বের শীর্ষ দূষিত বায়ুর দেশ হিসেবে প্রথমে নেপাল, তারপর পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তান ও কঙ্গোর নাম উঠে এসেছে। আর নির্মল বায়ুর দেশ হিসেবে প্রথমে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এরপর রয়েছে বার্বাডোজ, জর্ডান, কানাডা ও ডেনমার্ক। বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্মল বায়ু ও টেকসই পরিবেশ (কেইস) প্রকল্প থেকে দেশের আটটি শহরের বায়ুর মান প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হয়। তাতে দুই মাস ধরে ঢাকার পাশাপাশি রাজশাহী, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও খুলনা শহরের বায়ুর মান মারাত্মক ও খুব অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর হলো রাজধানী ঢাকা। এরপর রয়েছে রাজশাহী। বরিশাল সবচেয়ে কম দূষিত শহর হলেও এর বায়ু মানমাত্রার চেয়ে খারাপ, অর্থাৎ আশঙ্কাজনক। পরিবেশ অধিদপ্তরের দৈনিক বায়ু মানবিষয়ক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল শনিবার দেশের আটটি প্রধান জেলা শহরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের বায়ুর মান ছিল সবচেয়ে খারাপ। ইপিএর প্রতিবদেনে একে মারাত্মক অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। একই দিনে ঢাকা ও সিলেটের বায়ু খুবই অস্বাস্থ্যকর। গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বায়ু ছিল অস্বাস্থ্যকর। রাজশাহী ও বরিশালের বায়ুকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে বায়ুর এই খারাপ অবস্থা রয়েছে। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসজুড়ে ওই শহরগুলোর অধিকাংশের বায়ুর মান মারাত্মক অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্মল বায়ু প্রকল্পের পরিচালক মনজুরুল হান্নান খান প্রথম আলোকে বলেন, শীতের সময় সাধারণত বাতাসে দূষণের জন্য দায়ী ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। রাজধানীসহ দেশের প্রধান শহরগুলোর আশপাশে গড়ে ওঠা প্রায় ছয় হাজার ইটভাটা দূষণের জন্য প্রধানত দায়ী। শীতে এগুলো চালু হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ ও মেরামত বেড়ে যাওয়ায় বাতাস স্বাভাবিকভাবেই দূষিত হয়ে পড়ে। বায়ুর বৈশ্বিক মানদণ্ডকে অনুসরণ করে পরিবেশ অধিদপ্তর বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করে। বায়ুর মানমাত্রার সূচক ১০০-এর ওপরে উঠলে তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে ওঠে। বায়ুতে ক্ষুদ্র বস্তুকণা ও চার ধরনের গ্যাসীয় পদার্থ পরিমাপ করে এ সূচক তৈরি করা হয়। পরিবেশ আইন অনুযায়ী, বাতাসে ক্ষুদ্র বস্তুকণা বা পিএম ২.৫-এর মানমাত্রা হচ্ছে প্রতি কিউবিক মিটারে ১৫ মাইক্রোগ্রাম। পিএম ১০ বা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকণার মানমাত্রা ৫০ মাইক্রোগ্রাম। ২০১৫ সালে রাজধানীতে পিএম ২.৫-এর গড় ছিল ৮১ মাইক্রোগ্রাম। ২০১৬ সালে ছিল ৭৬ মাইক্রোগ্রাম। পিএম ১০-এর গড় ২০১৫ সালে ১৪৮ মাইক্রোগ্রাম ও ২০১৬ সালে আরও বেড়ে হয়েছে ১৫৮ মাইক্রোগ্রাম। দূষণের উৎস ২০১৬ সালে পরিবেশ অধিদপ্তরের কেইস প্রকল্পের আওতায় ঢাকার বায়ুদূষণের উৎস ও ধরন নিয়ে একটি জরিপ হয়েছে। নরওয়ের ইনস্টিটিউট অব এয়ার রিসার্চের মাধ্যমে করা ওই জরিপে দেখা গেছে, ঢাকার চারপাশে প্রায় এক হাজার ইটভাটায় নভেম্বরে ইট তৈরি শুরু হয়। এসব ইটভাটা বায়ুদূষণের জন্য ৫৮ শতাংশ দায়ী। এ ব্যাপারে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্বব্যাংকের ঋণের টাকায় সরকার নির্মল বায়ুর জন্য শত কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। সেই টাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের বহুতল ভবন, সড়কে উন্নত মানের ফুটওভার ব্রিজ, অনেক কর্মকর্তার বিদেশ সফর হয়েছে। কিন্তু সরকারি ওই তথ্য প্রমাণ করছে দূষণ কমেনি, বরং বেড়েছে। তিনি বলেন, দেশের বেশির ভাগ ইটভাটায় দূষণ নিয়ন্ত্রণের কোনো প্রযুক্তি নেই। সরকারি-বেসরকারি প্রকল্পগুলোর নির্মাণকাজ করার সময় তাতে ধুলা নিয়ন্ত্রণের ন্যূনতম উদ্যোগ বা পানি পর্যন্ত ছিটানো হচ্ছে না।
--------
সত্যিকার অর্থে আমি অবসরে যাচ্ছি: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, 'সত্যিকার অর্থে জানি, আমি অবসরে যাচ্ছি। এ বছরের ডিসেম্বরেই অবসরে যাব। বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মনে হয় অবসর নিয়ে কোনো ধারণা নেই। তাঁকে উপদেশ দিতে চেয়েছিলাম, জীবনে একটা সময় আসে, তখন অবসরে যাওয়াই আমাদের জন্য ভালো। অবসরে যেভাবে থাকা যায়, সেভাবেই থাকা উচিত।' সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী গত শুক্রবার অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাজের সমালোচনা করে তাঁদের নিরাপদ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস উল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জায়েদ বখত। এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আজ আমি অবসর নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলাম, তবে বিষয় অনবরত পরিবর্তন হতে থাকল। প্রথমে নতুন উদ্যোক্তা, এরপর কমপ্লায়েন্স (পরিপালন) নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলাম। এটাও বাদ দিয়ে ব্যাংকের জন্ম নিয়ে কথা বলতে চাই। বাংলাদেশ সৃষ্টির সময় হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংককে একীভূত করে অগ্রণী ব্যাংক গঠন করা হয়।' অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান টাকা তুলে ফেলছে। শেয়ারবাজারের আতঙ্ক ব্যাংকে ছড়িয়ে পড়ছে। এ জন্য তিনি অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
--------
 
 

আন্তর্জাতিক সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ ধনী সাংসদ দেব
পশ্চিমবঙ্গে শীর্ষ ধনী সাংসদ হলেন তৃণমূলের সাংসদ ও অভিনেতা দেব। সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের (এডিআর) এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে ভারতের সবচেয়ে কম সম্পদশালী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ত্রিপুরার মানিক সরকারের নাম উঠে আসে। এরপরে কম সম্পদশালী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। তবে এবার এডিআরের আরেক সমীক্ষা বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গেই রয়েছে সবচেয়ে ধনী সাংসদ। ভারতের আইনসভার নিম্নকক্ষ লোকসভা এবং উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা মিলিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৫৭ জন সাংসদ। এই ৫৭ জন সাংসদের মধ্যে ৩৫ জনই কোটিপতি। আর এর মধ্যে তৃণমূলের ২৯ সাংসদই কোটিপতি। পশ্চিমবঙ্গের সাংসদদের তালিকায় সবচেয়ে ধনী সাংসদ হলেন দেব। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ কোটি রুপি। তৃণমূলের সবচেয়ে কম সম্পদশালী সাংসদ হলেন ঝাড়গ্রামের উমা সোরেন। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ মাত্র ৪ লাখ ৯৯ হাজার রুপি। রাজ্যসভায় তৃণমূলের কোটিপতি সাংসদ হলেন শিল্পপতি কেডি সিং। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৮৩ কোটি রুপি। আর সবচেয়ে কম সম্পত্তির মালিক সাংসদ নাদিমুল হক। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ মাত্র ৩ লাখ ১৯ হাজার রুপি। সাংসদদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ১৬টি মামলা। দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূলের ইদ্রিস আলি। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ৯টি ফৌজদারি মামলা। আর তৃণমূল সাংসদ ও অভিনেতা তাপস পালের বিরুদ্ধে রয়েছে ৪টি ফৌজদারি মামলা। নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া সম্পদের তালিকা এবং অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে এই সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করেছে এডিআর।
--------
যৌতুকের লোভে পুরুষ সেজে বিয়ে!
তাঁর বেশভূষা পুরুষের মতো। পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল চালান, আড্ডা দেন। ধূমপান ও মদ্যপানও করেন। আচরণ ও কর্মকাণ্ডে তিনি নিজেকে পুরুষ হিসেবেই তুলে ধরেছেন সবার সামনে। তবে শেষ পর্যন্ত পুরুষের ছদ্মবেশে সহজ উপায়ে অর্থ আয়ের পথে পা বাড়ানোয় ধরা পড়লেন। বেরিয়ে এল তাঁর আসল পরিচয়। আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনে এ খবর প্রকাশ হয়। যৌতুকের লোভে পুরুষ সেজে বিয়ে করেছেন তিনি। তাও দুটো বিয়ে। অত্যন্ত চতুর এই ব্যক্তি এতেও ধরা পড়েননি। শেষ পর্যন্ত যৌতুক চেয়ে স্ত্রী হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর পুলিশ জানতে পেরেছেন তিনি আসলে নারী। পুরুষ সেজে বিয়ে করা ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কৃষ্ণ সেন (২৬) নামের ওই নারীকে ভারতের উত্তরাঞ্চলের রাজ্য উত্তরাখন্ড থেকে যৌতুক দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন পর্যন্ত পুলিশ জানত না তিনি পুরুষ নন নারী। পরে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে তাঁর এই প্রতারণার বিষয়টি। ২০১৪ সালে প্রথম বিয়ে করার সময় তিনি প্রথম পুরুষের ছদ্মবেশ ধরেন। পুরুষের বেশ ধরার আগে তাঁর নাম ছিল সুইটি। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানামিজে খান্দুরি বিবিসিকে বলেন, 'প্রথমে আমরা বুঝতেই পারছিলাম না যে কৃষ্ণ কী বলছে! এরপর আমরা তাঁর মেডিকেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করি এবং জানতে পারি তিনি একজন নারী।' প্রথম বিয়ের পরপরই তিনি স্ত্রীর কাছ থেকে সরে যান এবং গত বছরের এপ্রিলে আরেক নারীকে বিয়ে করেন। তাঁর সাবেক শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হয়রানির অভিযোগ করা হয় থানায়। তারা আরও অভিযোগ করেন, কৃষ্ণ শ্বশুরবাড়ি থেকে সাড়ে আট লাখ রুপি ধার হিসেবে নেন ব্যবসা করার জন্য। কিন্তু ওই টাকা আর কখনো ফেরত দেননি। শতাব্দী কাল ধরে যৌতুক দেওয়া-নেওয়ার প্রথা রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। বিয়ের সময় কনের বাড়ি থেকে বরের পরিবারকে নগদ অর্থ, জামাকাপড় ও অলংকার উপহার দেওয়া হয়। ভারতে বিয়েতে যৌতুক দাবি করা অবৈধ হলেও সেখানে এই প্রথা চালু রয়েছে। কৃষ্ণ সেন পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি সব সময় ছেলে হতে চেয়েছেন। তিনি 'পুরুষের জীবন' যাপন করতে চেয়েছেন। তবে এটা স্পষ্ট হয়নি যে কৃষ্ণর বাবা-মা তাঁর এমন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত আছেন কি না। পুলিশের ভাষ্য, যে দুজন নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন, তাঁরা তাঁকে কখনো সন্দেহ করেননি। তিনি তাঁদের সামনে কখনো অনাবৃত হননি এবং তাঁদের সঙ্গে তাঁর কোনো যৌন সম্পর্কও ছিল না। তাঁর বেশির ভাগ বন্ধুই পুরুষ। তিনি পুরুষের টয়লেট ব্যবহার করতেন। পুরুষালি কণ্ঠে কথা বলতেন। তিনি ধূমপান ও মদ্যপান করতেন। পুরুষ বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল চালাতেন। তাঁর আচরণ ও কর্মকাণ্ডে এমন কিছু ছিল না যাতে তাঁকে নারী বলে সন্দেহ করা যায়। আরেক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, 'পুরুষের মতো চুল, পোশাক ও আচরণ নিয়ে কৃষ্ণ পুরুষের জীবন যাপন করতেন। কেউ কখনো তাঁকে সন্দেহ করেনি। এমনকি তিনি হাঁটেনও একজন আত্মবিশ্বাসী পুরুষের মতো।'
--------
ভারতে আবারও প্রকাশ্যে মন্ত্রীর মূত্রত্যাগ!
নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দেশটিতে স্বচ্ছ ভারত গড়া নিয়ে শুরু হয় প্রচার। জনপ্রিয় হয় 'যেখানে ভাবনা, সেখানে শৌচালয়' স্লোগান। সরকারের এই কর্মসূচির মধ্যেই গত বছর এক মন্ত্রীর রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে মূত্রত্যাগ নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা, কটাক্ষ। দীর্ঘ সময় ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলে ব্যঙ্গবিদ্রূপ। সেই ঘটনাকে এবার উসকে দিলেন আরেক মন্ত্রী। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে এই মন্ত্রী মূত্রত্যাগ করলে কে বা কারা সেই ছবি তুলে ছড়িয়ে দিয়েছে। মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে রাজস্থানের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কালীচরণ সরাফের মূত্রত্যাগ করার ছবি এবার ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার কলকাতার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতজুড়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। যদিও মন্ত্রী এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সাংবাদিকদের কাছে। শুধু বলেছেন, এটি এমন কোনো ঘটনা নয়। প্রকাশ্যে মূত্রত্যাগ করলে রাজস্থানে ২০০ রুপি জরিমানা করার বিধান রয়েছে। মহাসড়কে মন্ত্রীর মূত্রত্যাগের সমালোচনা করে রাজস্থানের আজমিরের সাংসদ রঘু শর্মা বলেছেন, 'এ ঘটনার পর রাজস্থানের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।' অন্যদিকে রাজস্থানের কংগ্রেসের সহসভাপতি অর্চনা শর্মা বলেছেন, 'যেভাবে স্বচ্ছ ভারতের জন্য টাকা খরচ করা হচ্ছে, সেখানে মন্ত্রীর এই লজ্জাজনক কাজ সমাজে ভুল বার্তা পৌঁছাবে।' তিনি এ কথাও বলেছেন, ঢোলপুরে উপনির্বাচনের সময়ও এই মন্ত্রী একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। এর আগে গত বছরের জুন মাসে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী রাধা মোহন সিংয়ের রাস্তার পাশে প্রকাশ্যে মূত্রত্যাগের ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। বিহারের মতিহারে সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ মূত্রত্যাগের প্রয়োজন হয়ে পড়লে তিনি রাস্তার পাশের একটি দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে মূত্রত্যাগ করেন। পাশে ছিল তাঁর গাড়িটি। ওই ঘটনায় বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আরজেডি দলের নেতা লালু প্রসাদ যাদব কটাক্ষ করে টুইট করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, 'কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারত অভিযানকে আরও চাঙা করলেন। খরাবিধ্বস্ত রাজ্যে একটি সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন তিনি!' তবে মন্ত্রীর পক্ষে সাফাই গেয়ে তাঁর জামাতা বলেছিলেন, 'মূত্রত্যাগ একটি জৈবিক বিষয়। তা নিয়ে অকারণ বিতর্ক করা ঠিক নয়।' 'তা ছাড়া দেশের সব জায়গায় কী শৌচালয় রয়েছে?' প্রশ্ন রেখেছিলেন তিনি।
--------
 
";